ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মসজিদে ঢুকে যুবককে কুপিয়ে জখম

single-news-image

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের ভাদেশ্বরা গ্রামে শনিবার বিকেলে মসজিদে ঢুকে মো. শরীফুল্লাহ খান ইমন (২২) নামের এক যুবককে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইমনের মাথা, ঘাড়সহ শরীরের বিভিন্ন অংশে জখমের চিহ্ন রয়েছে।

আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই যুবককে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। রাত সোয়া ৯টায় এ রিপোর্ট লেখার সময় সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। ইমন ভাদেশ্বরা গ্রামের আলী আকবর খানের ছেলে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবস্থানরত ইমনের চাচা মো. ইসমাইল খান জানান, বিকেলে নামাজ পড়তে ভূঁইয়া বাড়ি জামে মসজিদ যাওয়ার সময় একই গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে মুস্তাকিম মিয়াসহ কয়েকজন ইমনের ওপর হামলা করে। ইমন দৌঁড়ে মসজিদে আশ্রয় নেয়। এ সময় ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাকে রক্তাক্ত করা হয়। উপস্থিত মুসল্লিদের চিৎকারে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

তিনি অভিযোগ করেন, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ইমনদের বাড়ির একটি বৈদ্যুতিক মিটারে আগুন লাগিয়ে দেয় আব্দুর রহমানের ছেলে আবু বক্কর। শুক্রবার বিকেলে এ বিষয়ে সদর থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়।

আজ শনিবার এসআই নুরুল আমিন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনার তদন্ত করতে আসেন। এরই জের ধরে ইমনের ওপর হামলা করা হয়। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক ইমনকে ঢাকায় পাঠান। দুই পরিবারের মধ্যে আগে থেকেই জমি সংক্রান্ত বিরোধও আছে বলে তিনি জানান।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. আব্দুল্লাহ আল-মামুন জানান, ইমনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হওয়ায় প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ইমনকে ঢাকায় নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

ঘটনাস্থলে থাকা সদর থানার এসআই মো. নুরুল আমীন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মসজিদের ভেতরেই হামলার ঘটনা ঘটেছে। কিভাবে কি ঘটেছে সেটা জানার চেষ্টা চলছে। দুই পরিবারের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে।’

সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. ইশতিয়াক আহমেদ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। হামলার ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে রাত ৯টা নাগাদ কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।