ঢাকা ট্যাক্সেস বার: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি হলেন আজিজুর, সম্পাদক মুস্তাফিজুর

single-news-image

আয়করসংক্রান্ত আইনজীবীদের সংগঠন ঢাকা ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কার্যকরী কমিটির সকল পদেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী একেএম আজিজুর রহমান সভাপতি ও মো. মোস্তাফিজুর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। এ নির্বাচন উপলক্ষ্যে গঠিন নির্বাচন কমিশন সোমবার ২৩ সদস্যের নতুন কমিটির নাম প্রকাশ করেছে। ঘোষিত কমিটির মধ্যে ২২ জন বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। আর বিদায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সুফী মোহাম্মদ আল মামুন পদাধিকারবলে সদস্য হয়েছেন।

এদিকে এ মনোনয়নপত্র না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে এএইচএম মাহবুবু সালেকিন, মো. আবু নাছের মজুমদার মেজবাহ, মো. জয়নাল আবেদীনসহ ১৩ আইনজীবী ঢাকার এক নম্বর যুগ্ম জেলা জজ আদালতে নির্বাচনী ফল ঘোষনার ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রবিবার মামলা করেন। গতকাল সোমবার এ আবেদনের ওপর শুনানি শেষে আদালত বিবাদীদের প্রতি শোকজ নোটিশ জারির আদেশ দেন। কেন ফলাফল ঘোষনার ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে না সেবিষয়ে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। কিন্তু এ নোটিশ পাবার আগেই নির্বাচন কমিশন গতকাল সকালেই কমিটি ঘোষনা করে তা নোটিশ বোর্ডে টাঙ্গিয়ে দেয়।

ঘোষিত কমিটিতে অপরাপর নির্বাচিতরা হলেন-সহসভাপতি পদে বি এন দুলাল ও মো. সিদ্দিকুর রহমান খোকন, ট্রেজারার মোহাম্মদ বাহাউদ্দিন, সহকারি সাধারণ সম্পাদক মিয়া মো. মাহবুবুর রহমান, লাইব্রেরী সম্পাদক মো. মশিউর রহমান, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. মোবারক হোসেন, কল্যাণ সম্পাদক মিজানুর রহমান এবং কার্যনির্বাহী সদস্য মো. আফজাল হোসেন, একেএম জাকিরুল ইসলাম, মোহাম্মদ আরমান হোসাইন, দেওয়ান জাকির হোসেন লোবান, মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন, এম এস এ মনির, মো. নাসির উদ্দিন গাজী, মো. নজরুল ইসলাম, নিতিশ সরকার, ওসমান গনি শেখ, রুশো বস, শাহজাহান ও সীমা আক্তার।

এ নির্বাচন উপলক্ষে ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ২২ ও ২৩ ফেব্রুয়ারি দুদিনব্যাপী ভোট গ্রহণ করার কথা। কিন্তু এবারের আসন্ন নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এ নির্বাচন উপলক্ষে গঠিত নির্বাচন কমিশন ও বর্তমান কমিটির বিরুদ্ধে এ অভিযোগ। সংগঠনের আইনে নির্বাচনের একমাস আগে অর্থাৎ ২১ জানুয়ারির আগে ভোটার তালিকা প্রকাশ করার নিয়ম থাকলেও তা টাঙ্গানো হয় গত ৪ ফেব্রুয়ারি রাতে। এছাড়া ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন থাকলেও সকলের জন্য মনোনয়নপত্র উন্মুক্ত করা হয়নি। ফলে নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে বিশেষ কয়েকজন ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে পারেননি। ফলে ওই বিমেষ ব্যক্তিরা মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন ও তা দাখিল করেন। এ অবস্থায় বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় কমিটি নির্বাচিত ঘোষনা করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, বর্তমান সরকার সমর্থক কিছু আইনজীবী ও বিএনপি সমর্থক কতিপয় আইনজীবী গোপনে আপোষ করে প্রার্থী হয়েছেন। ওই সমঝোতার ভিত্তিতে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত হয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। কালের কন্ঠ