দেশে শকুন আছে ২৬০টি মাত্র

single-news-image

দেশে বৃক্ষ-পশুপাখির বিভিন্ন প্রজাতি দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে বা মহা বিপন্নতার তালিকাভুক্ত হচ্ছে। মহাবিপন্ন প্রজাতির তালিকায় এবার এসেছে শকুনেরা। মাত্র ২৬০টি শকুন এখন বাংলাদেশে আছে।

বাংলাদেশে ‘মহাবিপন্ন’ প্রাণীর তালিকায় থাকা শকুন রক্ষায় ব্যথানাশক কিটোপ্রোফেন জাতীয় ভেটেরিনারি ওষুধের উৎপাদন বন্ধের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আজ সোমবার সকালে মন্ত্রিসভার ভার্চুয়াল বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী ও সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রীরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, আমাদের দেশে খুবই ডেঞ্জারাসলি শকুনের সংখ্যা কমে গেছে, খুবই বিপজ্জনক অবস্থায়। সত্তরের দিকে দেশে ৫০ হাজারের মতো শকুন ছিল, এখন তাদের (মন্ত্রণালয়) হিসেবে মাত্র ২৬০টি আছে। তাও ক্রিটিক্যালি এনডেন্জারড অবস্থায় আছে। এটার অন্যতম কারণ হলো কিটোপ্রোফেন জাতীয় ব্যথানাশক ব্যবহারের কারণে, এই ওষুধটা শকুনের মধ্যে গেলে শকুন মারা যায়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব এ সম্পর্কে আরো বলেন, ফার্মাসিউটিক্যালস, ড্রাগ কোম্পানি ও এক্সপার্টদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রস্তাব নিয়ে এসেছে এই কিটোপ্রোফেন ওষুধ যদি বন্ধ না করা যায় তাহলে শকুন এদেশে বাঁচবে না।

তিনি বলেন, শকুন না থাকলে পুরো দেশের মধ্যে মৃত পশু-পাখি পরিবেশকে নষ্ট করে, রোগজীবাণু ছড়ায়। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অন্যতম একটা উপজীব্য হিসেবে শকুন কাজ করে। সেজন্য বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা, সভা-সিম্পোজিয়াম করে সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া গেছে যে কিটোপ্রোফেন জাতীয় ব্যথানাশক ব্যবহারের বন্ধ করতে হবে।

কিটোপ্রোফেন জাতীয় ব্যথানাশক ওষুধ বন্ধ করে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় ‘ম্যালোক্সিক্যাম’ নামে একটি ওষুধ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে বলে জানান খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

ম্যালোক্সিক্যাম ওষুধ দেশের ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই, ওষুধটি বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। ওটা (কিটোপ্রোফেন) তুলে নিলে কোনো ক্ষতি হবে না। কালের কন্ঠ