কিংবদন্তি শিল্পী বশির আহমেদ এর আজ পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী

single-news-image

ঢাকা ডন ডেস্ক: আজ শুক্রবার বাংলাদেশ, তথা উপমহাদেশের প্রখ্যাত কন্ঠশিল্পী বশির আহমেদ-এর পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১৪ সালের ১৯ এপ্রিল, শনিবার মোহাম্মদপুরে নিজের বাসায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। শিল্পী, সুরকার ও সংগীত পরিচালক বশির আহমেদ ১৯৩৯ সালের ১৯ নভেম্বর কলকাতার খিদিরপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম নাসির আহমেদ। দিল্লির সওদাগর পরিবারের সন্তান বশির আহমেদ কলকাতায় ওস্তাদ বেলায়েত হোসেনের কাছ থেকে সংগীত শেখার পর মুম্বাইয়ে চলে যান। সেখানে উপমহাদেশের কিংবদন্তি ওস্তাদ বড়ে গোলাম আলী খাঁ’র কাছে তালিম নেন।

১৯৬৪ সালে সপরিবারে ঢাকায় আসেন শিল্পী বশির আহমেদ। ঢাকায় আসার আগেই উর্দু চলচ্চিত্রে গান গাওয়া শুরু করেন তিনি। চলচ্চিত্রে ‘যব তোম একেলে হোগে হাম ইয়াদ আয়েঙ্গে’ গানটি পাকিস্তানে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। তাঁর কণ্ঠস্বর ছিল মাধূর্যে ভরা। রাগ সঙ্গীতেও ঈর্ষণীয় দখল ছিল তাঁর। তালাশ চলচ্চিত্রে উপমহাদেশের বিখ্যাত কন্ঠশিল্পী তালাত মাহমুদের সঙ্গে কাজ করেন তিনি।

ষাটের দশক থেকে আধুনিক গান ও চলচ্চিত্রের গান গেয়ে তিনি মাতিয়ে রাখেন  এই দেশের অগণিত শ্রোতা-দর্শক ও ভক্তদের।

শিল্পী বশির আহমেদ একুশে পদকপ্রাপ্ত এবং কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি ছবিতে গানের জন্য ২০০৩ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (শ্রেষ্ঠ গায়ক) পান।

বশির আহমেদের জীবনসঙ্গিনী তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তান ও বাংলাদেশের প্রখ্যাত কন্ঠশিল্পী মিনা বশির স্বামী বশির আহমেদের অন্তর্ধানের মাত্র সাড়ে তিন মাস পর ৭ আগস্ট ২০১৪ সালে পরলোকগমন করেন।

বশির আহমেদ ও মিনা বশিরের মেয়ে হুমায়রা বশির ও ছেলে রাজা বশির কন্ঠশিল্পী হিসেবে স্বমহিমায় উদ্ভাসিত। বড়বোন হুমায়রা ও ছোটো ভাই রাজা বশির প্রতিষ্ঠিত কন্ঠশিল্পী ও দুজনেই  সংগীত নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।

বশির আহমেদের কয়েকটি বিখ্যাত গান:

  • কুচ আপনি কাহিয়ে কুচ মেরি সুনিয়ে
  • ইয়ে শাম ইয়ে তানহায়ে ইউ চুপ তো মাত রাহিয়ে
  • আমি রিক্সাওয়ালা মাতওয়ালা
  • আমাকে পোড়াতে যদি এত লাগে ভালো
  • আমার খাতার প্রতি পাতায়
  • যারে যাবি যদি যা
  • অনেক সাধের ময়না আমার
  • ডেকো না আমারে তুমি কাছে ডেকো না
  • মানুষের গান আমি শুনিয়ে যাবো
  • ওগো প্রিয়তমা
  • তোমার কাজল কেশ ছড়ালো বলে