ভালুকের লিঙ্গখেকো যুবক

single-news-image

গ্রেপ্তার হওয়া ইয়ারলিন ও শ্লথ ভালুক। ছবি :  আমাদের সময়

ভালুক শিকার ও পরে সেটির ‘লিঙ্গ’ খাওয়া ছিল ইয়ারলিন নামে এক যুবকের। বিপন্ন প্রজাতির শ্লথ ভালুক শিকার ও লিঙ্গ খাওয়ার অপরাধে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ব্রিটিশি গণমাধ্যম ডেইলি মেইল তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ভারতে অনেকদিন ধরেই বিপন্ন প্রজাতির ভালুক শিকার হচ্ছিল। সম্প্রতি দেশটির একটি জাতীয় পার্কে লিঙ্গবিহীন একটি ভালুকের মরদেহ পাওয়া যায়। এতে সচেতন হয় বন বিভাগ। এরপরই ইয়ারলিন নামে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ভারতের মধ্যপ্রদেশের বনবিভাগের কর্মকর্তা রীতেশ সিরোথিয়া জানিয়েছেন, ইয়ারলিন নামে ওই লিঙ্গ খেকো যুবক পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। সে ‘পার্ধি-বেহেলিয়া’ নামে এক যাযাবর উপজাতি গোষ্ঠীর সদস্য। এ উপজাতিরা বিশ্বাস করেন- প্রাণীর লিঙ্গ খেলে যৌনশক্তি বৃদ্ধি পায়।

তিনি আরও জানান, ইয়ারলিনকে গত ১৯ অক্টোবর পশ্চিম ভারতের গুজরাট রাজ্য থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সে মধ্য ভারতে অবৈধ বাঘ শিকারি চক্রের অন্যতম হোতা বলেও তিনি জানান।

ইয়ারলিনকে গতকাল বুধবার আদালতে হাজির করা হয় এবং পরে তাকে জেল হাজতে নেওয়া হয়। বনবিভাগের বিশেষ টাস্ক ফোর্সের প্রধান সিরোথিয়া বলেন, ‘আমরা তাকে খুঁজে বের করার এবং ধরার জন্য একটা বিশেষ সেল গঠন করেছিলাম। ছয় বছর ধরে তাকে আমরা ধরার চেষ্টা করেছি।’

এর আগেও ২০১৩ সালেও ইয়ারলিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সে সময় ভারতের কান্হা জাতীয় পার্কে দুটি শ্লথ বা কালো ভালুকের লিঙ্গবিহীন মৃতদেহ খুঁজে পাওয়ার পর তাকে আটক করে। ভালুক দুটির দেহ থেকে যৌনাঙ্গ ও পিত্তথলিও বিচ্ছিন্ন করা ছিল। এরপর এক বছর কারাভোগের পর তিনি মুক্তি পেলেও এতদিন পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। তার বিরুদ্ধে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে মোট ছয়টি মামলা রয়েছে।