আত্মঘাতী গোলের রেকর্ডের পথে এবারের বিশ্বকাপ?

single-news-image

(আপলোড: ৪:০০, জুন ২৮. ২০১৮)

ডন ডেস্ক:

ফুটবল খেলায় জয় পরাজয় নির্ধারণ করে গোল। আর দলের হয়ে গোল করা যেকোনো ফুটবলারের জন্য বড় প্রাপ্তি। আর সেই গোল যদি হয় বিশ্বকাপে, তবে তা একজন খেলোয়াড়ের জন্য সবচেয়ে বড় গৌরবের বিষয়। বিশ্বকাপে ২১তম আসর পর্যন্ত গোল হয়েছে প্রায় ২৪০০।

কিন্তু প্রতিপক্ষে জালে বল না জড়িয়ে যদি ভুল করে নিজ দলের জালেই বল জড়িয়ে ফেলে কোন ফুটবলার তবে তা বুমেরাং হয়ে দাঁড়ায়। এই আত্মঘাতী গোলই বদলে দেয় ম্যাচের ফলাফল। অনেক সময় দলের হারের কারণ হয়ে দাঁড়ায় এই আত্মঘাতী গোল।

বিশ্বকাপের প্রথম আসরেই মেক্সিকোর ম্যানুয়েল রোয়াস চিলির বিপক্ষে  আত্মঘাতী গোল করেছিলেন। এরপর প্রতি বিশ্বকাপেই হয়েছে এ ধরনের গোল। সবচেয়ে বেশি আত্মঘাতী গোল হয়েছে ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপে।  সংখ্যা ছিল ৬। এবার রাশিয়া বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের খেলা শেষ না হতেই সেই রেকর্ড স্পর্শ হয়েছে।

পরিসংখ্যান বলছে বিশ্বকাপে আত্মঘাতী গোল করেছে এমন দল প্রায় শতকরা ৭০ শতাংশ ম্যাচে হেরেছে। মাত্র ছয়টি দল আত্মঘাতী গোল করার পরেও জয় পেয়েছে। মেক্সিকো, স্পেন আর বুলগেরিয়ার খেলোয়াড়রা একাধিকবার বিশ্বকাপে নিজেদের জালে বল জড়িয়েছেন।

১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপে বুলগেরিয়ার ইভান ভুতসব পর্তুগালের বিপক্ষে ম্যাচে আত্মঘাতী গোল করেছিলেন। এরপর একই বিশ্বকাপে ওই দলের ইভান ডেভিডভ হাঙ্গেরির বিপক্ষে নিজেদের জালে বল জড়িয়েছিলেন। বিশ্বকাপে প্রতিপক্ষের উদারতায় সবচেয়ে বেশি সুবিধা পেয়েছে ফ্রান্স। এখন পর্যন্ত পাঁচবার প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়রা ফ্রান্সের পক্ষ হয়ে গোল করেছেন।

বিশ্বকাপে আত্মঘাতী গোল করার জন্য প্রাণও দিতে হয়েছে একজন ফুটবলারকে। ১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে আত্মঘাতী গোল করেন কলাম্বিয়ার আন্দ্রেস স্কবার। ২-১ গোলে ম্যাচ হেরে আসর থেকে বিদায় নেয় কলাম্বিয়া। সেই বছরের ২ জুলাই দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত হন স্কবার।

(ছবি: পোল্যান্ডের এই আত্মঘাতী গোলে এবার বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডে জয় পায় সেনেগাল)