গয়নার টুংটাঙয়ে মুখর সাভারের ৩০ গ্রাম

single-news-image

আহসান উল্লাহ, সাভার:

উপজেলার ভাকুর্তা ইউনিয়ন। এখানকার অনেক নারী-পুরুষ ব্যস্ত গয়না তৈরিতে। প্রায় সাত হাজার কারিগরের একেবারেই যেন অবসরের সুযোগ নেই।

তামা-পিতল-দস্তায় তৈরি এসব গয়না যায় দেশের অভিজাত জুয়েলারি মার্কেটে। পাশাপাশি চীন, ইন্দোনেশিয়া ও প্রধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশেও যাচ্ছে সাভারের এই গয়না।

রং দেয়ার পর এসব গয়নাই সিটি গোল্ড বা ইমিটেশন নামে পরিচিতি পায়। দেখতেও সোনার মতোই।

অনেক কারিগর আগে সোনা ও রুপার গয়না তৈরি করতেন। তাদের অভিজ্ঞতার ছাপ দেখা যায় এসব অলঙ্কারে।

ভাকুর্তা ইউনিয়নের  পাড়া- মহল্লায় গড়ে উঠেছে কয়েকশ ছোট-বড় কারখানা। এই প্রতিবেদকের কথা হয় ভাকুর্তা স্বর্ণ রুপা সমবায় সমিতির সভাপতি মোল্লা আনোয়ারের সঙ্গে। তিনি জানান, এখানকার হিন্দু সম্প্রদায়ের আদি পেশা ছিল গয়না তৈরি। এখন অনেক মুসলমানও এই পেশায় আছে। তিনি বলেন- এলাকায় কোনো ব্যাংক না থাকায়, ব্যবসায়ীদের লেনদেনে সমস্যা হয়।

ভাকুর্তা গ্রামের সাবিত্রা রাণী দাস জানান, ‘আমি এ কাজ করে ছেলে মেয়েদের লেখা-পড়ার খরচ চালাই, নিজেও চলি। সব মিলে ভালো আছি’।

বংশী পাড়ার অবলা রাণী বলেন, অলঙ্কার তৈরি করে অনেক শিক্ষার্থী লেখাপড়ার পাশাপাশি মাসে ৭ থেকে ১৫ হাজার টাকা আয় করে।

সাভারের অলঙ্কার শিল্পের সঙ্গে জড়িতরা মনে করেন, রাষ্ট্র এগিয়ে আসলে, এই শিল্পকে আরো অনেক দূর এগিয়ে নেয়া সম্ভব।