গাড়িচাপায় হত্যার দিন ঢাকাতেই ছিলাম না: শাবাব

single-news-image

নুর উদ্দিন মুরাদনোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীর ছেলে শাবাব চৌধুরী দাবি করেছেন, ঘটনার সময় তিনি রাজধানীতেই ছিলেন না। অবস্থান করছিলেন নোয়াখালীতে। বলেন- ‘আমি ও আমার পরিবারকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করতে একটি মহল উদ্দেশ্যমূলকভাবে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে’।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের জবাবে বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা ডনকে টেলিফোনে বলেন- ‘১০ জুন থেকে আমি নোয়াখালীতে। ঘটনার দিন ১৯ জুন রাত ৯টা পর্যন্ত আমি সুবর্ণচরে একটি ঘাট পরিদর্শনে ছিলাম। সেখানে হাজার হাজার মানুষ ছিল। তারা আমাকে দেখেছে’।

শাবাব বলেন, ‘আমি বাবার একমাত্র ছেলে। রাজনীতিতে সময় দিচ্ছি। তাই প্রতিপক্ষ আমার ক্যারিয়ার ধ্বংস করতে অপপ্রচার চালাচ্ছে। গণমাধ্যম আমাকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করলেও, কেউই আমার সাথে যোগাযোগ করেনি। আমার বক্তব্য ছাড়াই সংবাদ পরিবেশন করেছে’।

নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীর ছেলে শাবাব আরো বলেন, ‘নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যে প্রত্যক্ষদর্শী বলেছেন, তিনি আমাকে চেনেন এবং আমাকে প্রায়ই গুলশান বনানীতে গাড়িসহ আড্ডা দিতে দেখেছেন, তাও সত্য নয়’।

গণমাধ্যম বলছে- পুলিশকে ঘটনার ওই প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, শাবাবকে প্রায়ই গুলশান-বনানীতে গাড়িসহ আড্ডা দিতে দেখা যায়।

এমপি পুত্র বলেন, ‘আমি গত তিন বছর নিউজিল্যান্ডে ছিলাম। বছরে এক দুই বার সপ্তাহখানেকের জন্য দেশে এসেছি। এবার এসেছি ৭ জুন। ১০ জুন থেকে আমি নোয়াখালীতে। তাহলে তিনি কীভাবে আমাকে গুলশান বনানীতে গাড়িসহ আড্ডা দিতে দেখেন?’

১৯ জুন, মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর মহাখালী ফ্লাইওভারে বেপরোয়া গতির একটি প্রাইভেটকারের চাপায় সেলিম বেপারি (৪৫) নামে এক পথচারীর মৃত্যু হয়। ফ্লাইওভার পার হওয়ার সময় তাকে গাড়িটি ধাক্কা দিলে, সেখানেই তিনি প্রাণ হারান। সেলিম বেপারি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের গাড়িচালক ছিলেন। ঘটনাস্থলে গাড়িটির নম্বর প্লেট পড়ে ছিল।

গণমাধ্যম বলছে- বিআরটিএ এর তথ্য অনুযায়ী গাড়িটি নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীর স্ত্রী কামরুন্নাহার শিউলির নামে রেজিস্ট্রেশন করা। শিউলি কবিরহাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান।