পাকিস্তানের বলে বিশ্বকাপ

single-news-image

ডন ডেস্ক:

ভারত সীমান্তঘেঁষা উত্তর-পূর্বাঞ্চের শহর শিয়ালকোট। শহরের ভেতর ও আশপাশে ক্রীড়া সামগ্রীর অসংখ্য কারখানা। বিশ্বের অর্ধেকের বেশি ফুটবল তৈরি করে এই শিয়ালকোট। আর এসব কারখানার ব্রাহ্মণ ‘ফরওয়ার্ড স্পোর্টস’।

ক্রীড়া সামগ্রীর বিখ্যাত ব্রান্ড অ্যাডিডাসের জন্য ফুটবল তৈরি করেই মূলত জাতে উঠেছে প্রতিষ্ঠানটি। ব্রাহ্মণের খেতাব আরো মজবুত হয়েছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, জার্মান বুন্দেসলিগা ও ফ্রান্স লিগের সব বল তৈরি করে।

এরই ধারাবাহিকতায় হাজির বিশ্বকাপের আয়োজকরা। ২০১৪ সালে ব্রাজিল বিশ্বকাপের সব বল নিয়েছে এই প্রতিষ্ঠান থেকেই।

রাশিয়া বিশ্বকাপ ‘ফরওয়ার্ড স্পোর্টস’ কে এড়িয়ে যায় কীভাবে? কর্তারা তাই শিয়ালকোটের এই প্রতিষ্ঠানের কাছেই ছুটে গেলেন। চুক্তি করলেন ২০১৮ সালের বিশ্ব আসরের সব বল নেয়ার।

রাশিয়া বিশ্বকাপে যে বল গড়াবে টেকনিক্যালি তার নাম ‘থার্মো বন্ডেড’ বল। ২০১৪ সালে ব্রাজিল বিশ্বকাপে এটি প্রথম মাঠে গড়ায়।

শুধু তাই নয়।১৯৯০ এর দশক থেকে ২০১০ পর্যন্ত বিশ্বকাপে হাতে সেলাই করা বলও সরবরাহ করে পাকিস্তান।

থার্মো বন্ডেড বলে তাপের মাধ্যমে প্যানেল সেট করা হয়। অ্যাডিডাস ২০১৩ সালে এই প্রযুক্তির প্রচলন করে।

‘ফরওয়ার্ড স্পোর্টস’ মাসে সাত লাখ বল তৈরি করে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান খাজা মাসুদ।

কবি আল্লামা ইকবালের জন্মশহর শিয়ালকোটে একশর বেশি প্রতিষ্ঠান বছরে ছয় কোটির বেশি বল তৈরি করে।

বিশ্ব ফুটবলে পাকিস্তানের র‌্যাংকিং ১৯৪ (মার্চ ২০১৮)। র্বিশ্ব আসরে খেলতে না পারলেও, শিয়ালকোটের বল মাঠে দেখে গর্ব করে ২১ কোটি জনসংখ্যার এই দেশ।

Source: aljazeera.com, thehindu.com, news.com.au