হাঁচিতে বাধায় ছিঁড়বে রগ

single-news-image

ডন ডেস্ক:

ধুলা-বালি, বস্তুর অতি ক্ষুদ্র কণা, পশু-পাখির শরীরের অতি ক্ষুদ্র জীবাণু, ফুলের পরাগ ইত্যাদি প্রতি মুহূর্তেই আমাদের সংস্পর্শে আসে। এগুলো নাকে প্রবেশ করলে, মস্তিষ্ক কিছু কিছুর প্রতি প্রতিক্রিয়া দেখায়। আর তা থেকে নিস্তারের জন্যই আসে হাঁচি।

হাঁচি ঘণ্টায় একশ মাইল অতিক্রম করতে পারে। সেন্ট লুইস বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিসিন স্কুলের নাক-কান-গলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এলান ওয়াইল্ড বলছেন- এটি চেপে ধরা ঠিক নয়। উচ্চগতি বাধাগ্রস্ত হলে, ছিঁড়ে যেতে পারে মস্তিষ্ক ও ঘাড়ের রগ। আর এতে কখনো কখনো মৃত্যুও হতে পারে। হাঁচি বাধা দিলে চোখের রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ফেটে যেতে পারে কানের পর্দা। বেশি জোরে হাঁচি দিলে, ভেঙ্গে যেতে পারে পাঁজরের হাড়ও।

হাঁচি দিলে কি হৃৎপিণ্ড বন্ধ হয়? না, হয় না। তবে বেড়ে যায় হৃৎপিণ্ডের গতি।

একটি হাঁচি ৪০ হাজার ক্ষুদ্রকণা ছড়াতে পারে। আর ছড়াতে পারে এক লাখ জীবাণু!

হাঁচির সময় মস্তিষ্ক চোখ বন্ধের সংকেত দেয়। তখন ইচ্ছে করলেও তা খোলা রাখা যায় না।

হাঁচির সঙ্গে বের হওয়া মিউকাস যদি গ্রিন, ইয়োলো বা ব্রাউন হয়, তাহলে ধরে নিতে হবে ইনফেকশন হয়েছে।

ঘুমের সময় হাঁচি আসে না। কারণ যে স্নায়ু এটির সংকেত পাঠায়, সেটি তখন সক্রিয় থাকে না।

পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা সিদ্ধান্তে এসেছেন, হাঁচির মাধ্যমে নাক চেম্বার রিসেট করে।

Source: www.rd.com