বৃটিশ মিডিয়া কাঁপানো তাসমিন

single-news-image

ডন ডেস্ক

জন্ম ১৯৮০ সালে লন্ডনে। অক্সফোর্ড থেকে রাজনীতি, অর্থনীতি ও দর্শনে অনার্স।

১৯৯৯ সালে ভারতের জি-টিভি নেটওয়ার্কে অনুষ্ঠান উপস্থাপিকা হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু তাসমিন লুসিয়া খানের। পরে সঙ্গীত, সিনেমা, খেলাধুলা ও রাজনীতি অঙ্গনের সেলিব্রেটিদের নিয়ে উপস্থাপনা করেন টক শো। ২০০১ সালে ইনটারভিউ নেন যুক্তরাষ্ট্রের সদ্য সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের।

বিবিসি রেডিও এশিয়ান নেটওয়ার্কের উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেন বাংলাদেশি বাবা-মায়ের সন্তান তাসমিন লুসিয়া খান। জনপ্রিয়তা পান ব্রেকফাস্ট ও ড্রাইভ টাইমের মতো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে।

তারপর কাজ করেন পিটিভি প্রাইমের লন্ডন করেসপনডেন্ট হিসেবে। চ্যানেল ফাইভে একটি খেলার শো উপস্থাপন করেন তিন বছর।

পরে বিবিসি টেলিভিশনে। মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যুসহ শোবিজ জগতের বড় বড় ঘটনা কাভার করে আলোচনার তুঙ্গে ওঠেন তাসমিন লুসিয়া। মিশর, লিবিয়া ও সিরিয়াসহ কাভার করেন দুনিয়ার বড় বড় ঘটনা। আল কায়েদা প্রধান ওসামা বিন লাদেন হত্যার ব্রেকিং নিউজটিও বিবিসিতে দর্শকদের তিনিই জানান।

বিবিসি থেকে যোগ দেন আইটিভিতে। সেখানেও কাজ করেন দাপটের সঙ্গে। মার্কিন টিভি চ্যানেল এনবিসিতেও পদচারণা ছিল এই সুন্দরীর।

২০১৬ সালে সিইও হিসেবে যোগ দেন মুভি কোম্পানি ডব্লিউ আর এন্টারটেইনমেন্টে। এখনো কাজ করেন সেখানে।

২০০৯ সালে বৃটিশ সরকারের একটি প্রতিনিধি দলের হয়ে বাংলাদেশ সফর করেন সাংবাদিক, সংবাদ উপস্থাপিকা, টিভি ব্যক্তিত্ব, ফিল্ম প্রডিউসার ও উদ্যোক্তা তাসমিন লুসিয়া খান।

২০১০ সালে বৃটিশ সাপ্তাহিক ইস্টার্ন আই তাকে এশিয়ার ২৭তম সেক্সিয়েস্ট নারী ঘোষণা করে।

তাসমিন লুসিয়া খানের বিরুদ্ধে তার বয় ফ্রেন্ডের সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ভিডিও ধারনের অভিযোগ রয়েছে।

সূত্র: বিবিসি, আইটিভি, মিরর